শনিবার, মার্চ ২, ২০২৪

ডোমারে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

আপডেট:

মোঃ ইউসুফ খান বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডোমারে স্ত্রী মেঘনা রানী রায়কে (৩৫) গলা টিপে হত্যার
অভিযোগে স্বামী নির্মল চন্দ্র রায়কে (৪০) গ্রেপ্তার হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ সকাল সাতটার দিকে ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটলে দুপুরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে আটিয়াবাড়ি
গ্রামের পুলেন চন্দ্র রায়ের ছেলে নির্মল চন্দ্র রায় মঙ্গলবার সকাল সাতটার
দিকে তার শয়ন কক্ষে স্ত্রী মেঘনা রানী রায়কে গলা টিপে হত্যা করেন। খবর
পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ দুপুর এক টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ
উদ্ধার করে । এসময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় আসামী নির্মল চন্দ্র ডোমারে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

নীলফামারীর ডোমারে স্ত্রী মেঘনা রানী রায়কে (৩৫) গলা টিপে হত্যার
অভিযোগে স্বামী নির্মল চন্দ্র রায়কে (৪০) গ্রেপ্তার হয়েছে।

আজ সকাল সাতটার দিকে ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের
আটিয়া বাড়ি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটলে দুপুরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে আটিয়াবাড়ি
গ্রামের পুলেন চন্দ্র রায়ের ছেলে নির্মল চন্দ্র রায় মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে তার শয়ন কক্ষে স্ত্রী মেঘনা রানী রায়কে গলা টিপে হত্যা করেন। খবর
পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ দুপুর এক টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ।

এসময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় আসামী নির্মল চন্দ্র
রায়কে গ্রেপ্তার করে।
নিহত মেঘনা রানী রায় একই উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের খামার বামুনিয়া গ্রামের শচীন চন্দ্র রায়ের মেয়ের সঙ্গে ১৫ বছর আগে পুলেন
চন্দ্র রায়ের ছেলে নির্মল চন্দ্র রায়ের বিয়ে হয়।

নিহতের ফুপাতো ভাই প্রহল্লাদ চন্দ্র রায় (৪২) অভিযোগ করে বলেন,‘মেঘনা রানী রায় আমার মামাতো বোন। নির্মল চন্দ্র রায় প্রায় দুই আড়াই বছর আগে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
তখন থেকে মেঘনা রানী রায়ের ওপর নানাভাবে নির্যাতন শুরু করে। এর আগে
আমি একবার শালিস করেছি। এমন নির্যাতনের অংশে তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।”
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহমুদ উন নবী বলেন,
‘অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছি।

ময়না তদন্তের জন্য লাশ জেলার মর্গে পাঠানো হবে। আসামী নির্মল চন্দ্র রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নিহত মেঘনা রানী রায় একই উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের খামার বামুনিয়া গ্রামের শচীন চন্দ্র রায়ের মেয়ের সঙ্গে ১৫ বছর আগে পুলেন
চন্দ্র রায়ের ছেলে নির্মল
চন্দ্র রায়ের বিয়ে হয়।
নিহতের ফুপাতো ভাই প্রহল্লাদ চন্দ্র রায় (৪২) অভিযোগ করে বলেন,
‘মেঘনা রানী রায় আমার মামাতো বোন। নির্মল চন্দ্র রায় প্রায় দুই
আড়াই বছর আগে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

তখন থেকে মেঘনা রানী রায়ের ওপর নানাভাবে নির্যাতন শুরু করে। এর আগে
আমি একবার শালিস করেছি। এমন নির্যাতনের অংশে তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।”
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহমুদ উন নবী বলেন,
‘অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছি। ময়না
তদন্তের জন্য লাশ জেলার মর্গে পাঠানো হবে। আসামী নির্মল চন্দ্র রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিকজিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত